সাইক্লিং-এ এক্সপার্ট হওয়ার ১০টা উপায়! 10 ways to be expert in cycling

সবে সবে সাইক্লিং স্টার্ট করেছো বা একদম তুখোড় বা যারা মাঝেমাঝে সাইক্লিং কর তারা সবাই কোথাও না কোথাও প্রথম সাইক্লিং স্টার্ট করেছিলে নিশ্চয়ই?

এই সহজ টিপসগুলো একবার জেনে নিলে সাইক্লিং-এ এক্সপার্ট হয়ে উঠবে নিমেষে।

সবে সবে সাইক্লিং(cycling) স্টার্ট করেছো বা একদম তুখোড় বা যারা মাঝেমাঝে সাইক্লিং কর তারা সবাই কোথাও না কোথাও প্রথম সাইক্লিং স্টার্ট করেছিলে নিশ্চয়ই?  

১। নতুন রুট

যখন প্রথম শুরু করি তখন স্বাভাবিকভাবেই আমরা পুরনো রাস্তায় সাইক্লিং করতে ভালবাসি। সপ্তাহে একবার অন্ততপক্ষে নতুন রাস্তা আবিষ্কার করা ভালো। এতে করে সাইক্লিং বোরিং হয়ে ওঠেনা। নতুন জায়গা নতুন পরিবেশ মন ফ্রেস করে ও সাইক্লিং-এর দক্ষতা  বাড়িয়ে তোলে।

২। যারা শুরু করছঃ দুইবার করে করবে। আর যারা সাইক্লিং -এ এক্সপার্ট প্রত্যেক সেশানে ৬টা করে সেট করতে পারো।

           ২ মিনিট হার্ড সাইক্লিং > ২ মিনিট ইজি সাইক্লিং > ১ মিনিট হার্ড > ১ মিনিট ইজি > ৩০ সেকেন্ড হার্ড > ৩০ সেকেন্ড ইজি >১৫ সেকেন্ড স্প্রিন্ট >৫ মিনিট ইজি।

৩. সাইক্লিং-এর (cycling) তাল

একেবারে প্রথমবারেই যদি খুব কঠিন সাইক্লিং কর তাহলে অল্পক্ষণের মধ্যেই ক্লান্ত হয়ে স্লো হয়ে পড়বে। প্রথমে নিজের একটা সহজ গতি ধরবে তারপর ধিরে ধিরে নিজের স্পীড বাড়াতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না এমন একটা জায়গায় পৌছাও যেখানে নিজের ইচ্ছেমতো একটা তালে স্পীড বাড়াতে কমাতে পারো।

৪. প্রথম সেঞ্চুরি-

এক্সাইটমেন্টের কারনে অনেক রাইডার প্রথমেই সেঞ্চুরি কমপ্লিট করতে চায়। তাদের জন্য বলি, প্রতি সপ্তাহে নিজেদের রাইডিং-এ ১০ মাইল এক্সট্রা যোগ করতে থাকো যতক্ষণ পর্যন্ত না ৮০ মাইলে পৌঁছতে পারছ।

৫. ফ্ল্যাট টায়ার(flat tire) নিয়ে চিন্তা ছাড়ো

যত পারো নিজে নিজের সাইকেলের টায়ার চেঞ্জ করার চেস্টা কর। ছোটখাটো রিপেয়ারিং  টুলস সাথে রাখবে সাইক্লিং করার সময়। টায়ার চেঞ্জ করাতে এমন দক্ষ হতে হবে যেন যেকোনোও রকমের অসুবিধাতে নিজে খুব তারাতারি টায়ার চেঞ্জ করে নিতে পারো।

৬. বন্ধুদের সাথে মিলে একখানা সাইক্লিং গ্রুপ বানাও।

যেখানে সবাই মিলে মাসে একবার করে লং ডিস্‌টেন্স সাইক্লিং করবে। আর মনে রাখবে মাঝে রেস্ট নেওয়ার সময় একই জায়গায় খুব বেশি সময় না কাটানই ভালো।

৭. সাইক্লিং(cycling) করতে করতে জল খেতে হলে ভুল করে মাথা উপর দিকে করে জল খেতে যেওনা।

তার বদলে বোতলটাকে যতটা পারো উঁচু করে ধরো। দরকার হলে দাঁত দিয়ে বোতল কামড়ে ধরে জল খাও। কিন্তু ভুলেও চোখ যেন রাস্তা থেকে না সরে।

৮. যদি প্রত্যেকদিন সকালে এক হাঁড়ি পান্তা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাই খাও।

আর যদি খাওয়ার অভ্যাস নিয়ে পরিক্ষানিরিক্ষা করতেই হয় তাহলে প্র্যাকটিসের দিনে করো। রেসিং-এর দিনে নতুন ধরনের খাওয়ার নিয়ে পরিক্ষা করতে যাবেনা।

৯. এখন সাইক্লিং-এর জন্য অনেক নিত্য নতুন ভালো ভালো অ্যাপ(App) পাওয়া যায় প্লে-স্টোরে(PLay Store)।

সেগুলো ব্যাবহার করতে পারো। তাতে সাইক্লিং-এর দক্ষতা বাড়বে।

১০. প্রত্যেক রাইডের(ride) আগে ভালো করে সবকিছু চেক্‌ করে নাও যেমনটা প্লেন চালানোর আগে করতে হয়।

সাইকেলের চাকা, স্পোক ভালো করে পরিক্ষা করে নিতে হবে। তারপর চেনে হাত বুলিয়ে দেখতে হবে যদি সামান্য পরিমান তেলতেলে ভাব থাকে তাহলে খুব ভালো। সাইকেলের মাথা ঠিক আছে কি দেখার জন্য ব্রেক চেপে ধরে সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরে জোরে জোরে ঝাঁকিয়ে দেখে নিতে হবে। যদি অল্প ঢকপক করে তাহলে টাইট করে নিতে ভুলবে না। মনে করে সাথে ব্রেক থ্রেড এবং কিছু স্পোক ক্যারি কোরো।  

তাহলে, বুঝে গেলে তো সাইক্লিং –এ এক্সপার্ট হতে গেলে কি কি জিনিসগুলো মাথায় রাখা উচিত। তাই আর ঘরে না বসে থেকে সাইকেলটা নিয়ে বেরিয়েই পড়।